কেঁচো সার হতে পারে শিক্ষিত বেকারের আদর্শ কর্মসংস্থান।

0
62

বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান, উন্নয়নশীল এবং সম্ভাবনাময় দেশ। সত্যিই আমার দেশ সোনার বাংলাদেশ যেখানে বীজ বোপন করলেই ফসল ফলে। মানুষ দূর এই দেশে পশু পাখির মাধ্যমেও বহু গাছের জন্ম হয়েছে তারপরেও আমরা কৃষিতে সমৃদ্ধ হতে পারিনি। সেদিন শাইখ সিরাজ স্যারের একটা প্রতিবেদনে দেখলাম বাংলাদেশের শাক সবজি রপ্তানিতে ব্যপক সুযোগ থাকলেও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারছিনা। না পারার কারণ উৎপাদন প্রক্রিয়া ও অসৎ উপায় অবলম্বন।

আমরা আমাদের ফসলের জমিতে রাসায়কি সার আর কীটনাশক ব্যবহার করে মাটির সর্বনাশ করেছি সেই মাটিতে ফসল ফলানো ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে যাচ্ছে, আর ছাদ কৃষির জন্য যেই মাটি পাই তা এমনিতেই উর্বর না তার উপর অল্প মাটিতে নানা ধরণের ফল ফুলের চাষ হওয়ায় উর্বতা একেবারে শূন্যের কোঠায় যায়। তাই আপনার মাটির উর্বরতা ফিরে পেতে চাইলে ব্যবহার করুন কেঁচোসার বা ভার্মিকম্পোস্ট।

আমাদের উতপাদন আরও বেগবান করতে শিক্ষিত বেকার যুবক দের কৃষি কাজে ব্যপক ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। আজকে আমি খুবই অল্প খরচে বাড়িতে কেঁচো সার উৎপাদন করার বিষয়ে আলোচনা করব। যারা গ্রামে থাকেন তারা আনায়াসে পরীক্ষামূলক ভাবে সুরু করতে পারেন। কাঁচামাল হিসেবে লাগবে গবর এবং কেঁচো । এটি একটি স্যানেটারি রিং এ ছায়াজুক্ত স্থানে ২০- ৩০ রেখে দিতে হবে যাতে বৃষ্টির পানিও না পরে। এই সময়ের মধ্যে কেঁচো সব গবর খেয়ে মল ত্যাগ করবে। এই মল ছাকুনির সাহায্য আলাদা করে সার হিসেবে ব্যবহার হয়। আর কেঁচো পরে আবার গোবরের রেখে দিতে হবে। আর সারের ব্যপক চাহিদা আছে। কেউ বানিজ্যিক ভাবে এটি নিলে প্রতি মাসে ভালো আয় করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে স্থানিয় কৃষি অফিস অথবা যে কোন সহযোগিতার জন্য নিচের পেজ এ যোগাযোগ করুন।  মাস্টার অ্যাগ্রো 

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here